Home » Bengali News » স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড হাতে পেয়ে খুশি অয়ন্তিকা, আকিব

স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড হাতে পেয়ে খুশি অয়ন্তিকা, আকিব

হাইলাইটস

  • স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড হাতে পেয়ে খুশি অয়ন্তিকা, আকিবরা। তাঁরা ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পড়ুয়া।
  • সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে এই প্রকল্পের কার্ড তুলে দেওয়া হল তাঁদের হাতে।
  • বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে ৩৪ জনের হাতে তুলে দেওয়া হয় স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড।

এই সময়, বর্ধমান: স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড হাতে পেয়ে খুশি অয়ন্তিকা, আকিবরা। তাঁরা ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পড়ুয়া। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পড়ার খরচের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের কথা ঘোষণা করলে জেলা প্রশাসনের কাছে তাঁরা আবেদন করেছিলেন। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে এই প্রকল্পের কার্ড তুলে দেওয়া হল তাঁদের হাতে।

এদিন বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সমবায় ব্যাঙ্ক থেকে ৩৪ জনের হাতে তুলে দেওয়া হয় স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। এর মধ্যে ২৪ জন ডাক্তারি ও ১০ জন নার্সিং পড়ার খরচ জোগানোর আবেদন জানিয়েছিলেন। এছাড়া জেলা প্রশাসনের কাছে ইঞ্জিনিয়ারিং, বি-টেক, কস্ট ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্সির মতো বিষয়ে পড়ার খরচের জন্য আবেদন জানিয়েছেন আরও বারোশো জন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, উচ্চ শিক্ষার জন্য এদিন যাঁদের ক্রডিট কার্ড দেওয়া হয়েছে, তাঁরা জুন মাসে অন লাইনে আবেদন জানিয়েছিলেন। কার্ড পাওয়া অনেকেই আর্থিক কারণে সমস্যার মধ্যে ছিলেন। কলকাতা লাগোয়া গড়িয়ার একটি বেসরকারি নার্সিং কলেজে পড়ছেন বর্ধমান একের রায়ানের বাসিন্দা অয়ন্তিকা মুখোপাধ্যায়। এদিন তিনিও স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড হাতে পেয়েছেন। বলেন, ‘বাবা ব্যবসা করেন। ফলে সমস্যা হচ্ছিল টাকার জন্য। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ সত্যিই আমাদের মতো অনেকের কাছে আশীর্বাদ। এখন আর পড়া নিয়ে চিন্তা রইল না।’

কলকাতা লাগোয়া বজবজের একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডাক্তারি পড়ছেন আকিব মল্লিক। মেমারির বাসিন্দা আকিব তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। কার্ড পেয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া, ‘খুবই ভালো উদ্যোগ। আমার বাবা চাষাবাদ করেন। আমি এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। এত কম সুদে ও সহজ শর্তে ১০ লক্ষ টাকা আমার পড়ার জন্যে খুব উপকারে আসবে। ডাক্তারি পড়া শেষ করতে আমার আর সমস্যা রইল না।’ পূর্বস্থলীর বাসিন্দা সুস্মিতা হেমব্রম এদিন এসেছিলেন তাঁর কার্ডের বিষয়ে জানতে। তিনি বলেন, ‘আমি আবেদন করেছিলাম। আমাকে এদিন ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়েছিল। ব্যাঙ্ক থেকে মেসেজ এলেই আমি কার্ড পাব। দিন সাত-দশের মধ্যেই আমার কার্ড চলে আসবে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।’

সৈনিক স্কুলে মেয়েরাও পড়তে পারবে: প্রধানমন্ত্রী
সুস্মিতা চন্দননগর উইমেন্স পলিটেকনিক কলেজে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। তাঁর বাবা গাড়িচালক। তিনি ছাড়া দুই ভাইয়ের এক জন এবার উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থী। আরেক ভাই একাদশ শ্রেণির পড়ুয়া। বলেন, ‘স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের পড়ার জন্য বাবার উপর খুব চাপ থাকত। মুখ্যমন্ত্রী যে ব্যবস্থা করেছেন, তাতে আমাদের মতো কত ছাত্রছাত্রী যে উপকৃত হবে তা স্পষ্ট বোঝাই যাচ্ছে। তাঁকে অনেক ধন্যবাদ অভাবী ছাত্রছাত্রীদের পরিবারের কথা ভাবার জন্য।’

উচ্চমাধ্যমিকে কি একাধিক পরীক্ষার ভাবনা
পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়ঙ্কা সিংলা বলেন, ‘জেলায় যাঁরা আবেদন করছেন, তাঁদের সব দিক খতিয়ে দেখে ব্যাঙ্ক থেকে সরাসরি টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। কারও কোথাও সমস্যা দেখা দিলে তার জন্য খোলা হয়েছে হেল্প ডেস্ক।’


Source link

x

Check Also

সফল হওয়া সত্ত্বেও ক্রিকেটের মেয়েরা উপেক্ষিত

হাইলাইটস কয়েক মাস আগেই ব্রিসবেন-এ ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর আহমেদাবাদে বাজি পুড়ল। ঋষভ পন্থের উইনিং ...